মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দাবি করেছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি হতে পারে।
এবিসি নিউজকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “সবকিছু ইতিবাচক মনে হচ্ছে। আজ কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তবে আমি খুব দ্রুত তা সামলে নিয়েছি, যা আপনারা হয়তো লক্ষ্য করেছেন।”
এর আগে সোমবার লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা স্থগিত করার হুমকি দেয় ইরান। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের অসন্তোষের প্রধান কারণ ছিল লেবাননে ইসরায়েলি হামলা।
তিনি বলেন, “আমি হিজবুল্লাহর সঙ্গে কথা বলেছি এবং বলেছি, কোনো গোলাগুলি নয়। এরপর আমি বিবির (ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী) সঙ্গে কথা বলেছি এবং তাকেও একই কথা বলেছি। তারপর উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ করেছে।”
ট্রাম্পের মতে, দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্কের কারণে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানো সহজ নয়। তিনি বলেন, “এটি তাদের জন্য সহজ কোনো বিষয় নয়। আমাদের জন্যও সহজ নয়। তবে আমরা যে লক্ষ্য অর্জন করতে চাই, সেটির দিকেই এগোচ্ছি।”
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক কবে চূড়ান্ত হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “আমি মনে করি আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আপনারা এর ফলাফল দেখতে পাবেন।”
তবে তিনি জানান, এখনো চুক্তিতে চূড়ান্ত সম্মতি দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমাকে এখনো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত নিশ্চিত করতে হবে।”
এর আগে ট্রাম্প হিজবুল্লাহর সঙ্গে “খুব ভালো” ফোনালাপ হওয়ার দাবি জানানোর পর লেবানন সরকার ঘোষণা দেয় যে, দক্ষিণ বৈরুতে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের বিনিময়ে হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ রাখতে সম্মত হয়েছে। ওয়াশিংটনে লেবাননের দূতাবাসের এক বিবৃতির বরাতে দেশটির প্রেসিডেন্সি জানায়, মার্কিন মধ্যস্থতায় প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থার আওতায় বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলি দাহিয়ায় ইসরায়েলি হামলা বন্ধ থাকবে এবং এর বিনিময়ে হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকবে।
উল্লেখ্য, একই দিন সকালে ইসরায়েল দাহিয়ায় নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছিল।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

